চট্টগ্রাম   সোমবার, ২৩ মে ২০২২  

শিরোনাম

চরতীর ৩০ বছরের জামায়াতী দূর্গ ভাঙার চ্যালেঞ্জ যে কারণে গেল রুহুল্লাহ’র হাতে 

বিদ্রোহী দাঁড় করানোর পায়তারা করছে উপজেলা আ.লীগের একাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৭:৪৪ পিএম, ২০২২-০১-০৯

চরতীর ৩০ বছরের জামায়াতী দূর্গ ভাঙার চ্যালেঞ্জ যে কারণে গেল রুহুল্লাহ’র হাতে 

সাতকানিয়া উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মাঠ গরম রেখেছে চরতী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন রুহুল্লাহ চৌধুরী। ৩০ বছর ধরে জামায়াত শাসিত এই ইউনিয়নে এবার নৌকা জয়ী করতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বাছাই করেছেন রুহুল্লাহ চৌধুরীকে।

উপজেলা আওয়ামী লীগ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ নেতা অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরীকে নৌকা প্রতীক নিয়ে দিতে চাইলেও বিগত সময়ে ধর্মীয় রক্ষণশীল এই ইউনিয়নের নির্বাচনে তিন নম্বর অবস্থানে থাকা এই নেতার উপর আস্থা রাখেনি দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।


অন্যদিকে ৩০ বছরের জামায়াতী দূর্গতে নৌকা জেতানোরও চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেছেন সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী ও তার সহধর্মীনী বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিজিয়া রোজা চৌধুরী। নৌকার প্রার্থী রুহুল্লাহ চৌধুরী সাংসদের শ্যালক ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর আপন ভাই।


তবে আশংকা রয়েছে, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন যেহেতু রুহুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ বাতিলের চিঠি দিয়েছেন সেহেতু উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশ নৌকাকে পরাজিত করার ‘ষড়যন্ত্রে’ নামতে পারে। এমনকি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীও এই ইউনিয়নে নির্বাচন করতে পারে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ কোনো কোনো নেতার ইশারায়। যদিও স্থানীয় সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভীর নের্তৃত্বে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ ও ‍সুসংহত বিধায় নৌকার প্রার্থী নিয়ে কোনো কোনো নেতার ষড়যন্ত্র কতটুকু টিকবে তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত।


এ বিষয়ে নৌকার প্রার্থী রুহুল্লা চৌধুরী বলেন, ‘ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চরতীবাসীর সেবা করতে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি এ জন্য মহান নেত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। কেউ ষড়যন্ত্র করছে বা করবে বলে মনে হয় না। করলেও কোনো লাভ হবে না।কারণ আমি চরতীবাসীকে বুকে ধারণ করি। সুঃখে-দুঃখে তাদের পাশে ছিলাম। আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারণ করে কথা দিচ্ছি, নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো সকলের সহযোগীতা নিয়ে।’

রুহুল্লাহ চৌধুরীর নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর চুলচেরা হিসেব মেলাচ্ছেন এখন স্থানীয়রা। এর কারণ হিসেবে স্থানীয় ভোটার ও আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, চরতী ইউনিয়নে বিগত ৩০ বছর ধরে জামায়াতের প্রার্থী  ও চরতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ডা. রেজাউল করিম নির্বাচিত হয়ে আসছে। অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরীকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেখানে জয়ী হয় জামায়াত। নৌকার প্রার্থীর হিসেবে প্রদীপের অবস্থান ফলাফলের দিক দিয়ে হয়েছে তৃতীয়। এর কারণ হিসেবে স্থানীয়রা বলছেন, অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরী সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সাতকানিয়া উপজেলার সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। নৌকাকে তিনি কখনোই বিজয়ী করে আনতে পারেননি। উল্টো বারবার জামায়াত ইসলাম ওই এলাকায় বিজয়ী হচ্ছে।

তারা আরও জানিয়েছেন, ওই এলাকাটি ধর্মীয়ভাবে রক্ষণশীল হিসেবেও পরিচিত একটি এলাকা। ফলে এবার মুসলিম পরিবারের সদস্য হিসেবে রুহুল্লাহ চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ। ৩০ বছরের জামায়াতী দূর্গ ভাঙার এই এই চ্যালেঞ্জ গিয়ে পড়েছে সাতকানিয়ার সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভীর উপরও। কারণ রুহুল্লাহ চৌধুরী সাংসদ নদভীর একমাত্র শ্যালক। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য রিজিয়া রেজা চৌধুরীর ভাইও রুহুল্লাহ চৌধুরী।


এদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও রুহুল্লাহ চৌধুরীর রয়েছে শক্ত অবস্থান। যার অবস্থান তিনি জানান দেন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে। চরতী ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রে জামায়াতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নৌকাকে বিজয়ী করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন রুহুল্লা চৌধুরী। তিনি তিন বছর ধরে উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চরতী ইউনিয়নসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে সংগঠিত করে যাচ্ছেন তিনি দীর্ঘ সময় ধরে।

কয়েকজন সচেতন ভোটার জানিয়েছেন, সাংসদের নিকটাত্মীয় বিধায় তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়নে ভাল ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিশেষ বিশেষ প্রকল্প ও একান্ত প্রয়োজনীয় প্রকওল্পের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না। আবার সরকারের ক্ষমতায় আছে আওয়ামী লীগ। নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হলে সরকারের সুনজরও থাকবে এই ইউনিয়নের দিকেই। তাই নৌকার প্রার্থীকেই ভোট দেওয়া যুক্তিযুক্ত।

চরতী ইউনিয়নে রুহুল্লাহ চৌধুরী নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর রুহুল্লাহ চৌধুরীর বড় বোন, সাংসদ ড. আবু রেজা নদভীর স্ত্রী ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য রিজিয়া রেজা চৌধুরী তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘সাতকানিয়ার ১নং চরতী ইউনিয়ন আমাদের স্বাগতিক ইউনিয়ন। সাতকানিয়ার সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন যেখানে ২৫ হাজার ভোটারের বসবাস। সাতকানিয়ার জামাতের দুর্গ, মিনি পাকিস্তান খ্যাত এই চরতী ইউনিয়নে দীর্ঘ ২০ বছর যাবত জামায়াতের আমীর ডা. রেজাউল করিম নির্বাচিত হয়ে আসছে। কারণ আওয়ামী লীগের জনবিচ্ছিন্ন অজনপ্রিয় নেতারা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করেন, সেই সাথে বিদ্রোহী নেতাদেরও ছড়াছড়ি। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধর্ম ও রক্ষনশীল এই এলাকায় হিন্দু-বৌদ্ধ কোটায় নৌকা প্রতীক নিয়ে আসেন অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরী। জনবিচ্ছিন্ন এই নেতার হাতে নৌকা দেখে সাধারণ মানুষ হতভম্ব হয়ে যায়। শত চেষ্টা করেও প্রদীপ কুমার চৌধুরী তিন নম্বর হন। প্রার্থী নির্বাচনে ভুল হওয়ার কারণে নৌকা পরাজিত হয় আবার। ইউনিয়ন জামাত আমীর ডা. রেজাউল করিম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে ব্যাপক ভুমিকা রাখেন। এবারও এমপি মহোদয়ের সাথে কোনো পরামর্শ না করে উপজেলা ও জেলা কমিটি বাস্তবতা বিবর্জিত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো সেই পরাজিত অ্যাডভোকেট প্রদীপ চৌধুরীকে আবারও নৌকা প্রতীক কনফার্ম করলে এমপি মহোদয় অবাক হন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে যোগাযোগ করে বাস্তবতা তুলে ধরেন। চরতী ইউনিয়ন সাতকানিয়ার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় ধর্মপ্রাণ ও রক্ষনশীল এই এলাকায় কোনোভাবেই হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো প্রার্থী কখনো জিতে আসতে পারবেনা। সেই সুযোগে আবার ও জামায়াত নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী ছিল।’


স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে ধীরে ধীরে বাংলাদেশ মিনি পাকিস্তান হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিল সাতকানিয়া-লোহাগাড়া উল্লেখ করে রিজিয়া বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে ২৫ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছিল রাজনৈতিক সহিংসতায়। মারামারি, খুনাখুনি, জ্বালাও পোড়াও ছিল নিত্যদিনের ব্যাপার। দলীয় বড় বড় পদবীধারী নেতারা পর্যন্ত সেসময় এলাকায় যেতে সাহস করেনি। সেই অরাজকপূর্ণ পরিস্থিতিতে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছিলেন সমাজ সেবক ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভীর হাতে। নেত্রীর সেই আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার্থে নৌকাকে জনগনের প্রতীকে পরিনত করার জন্য এমপি মহোদয় ও আমি দীর্ঘ ৮ বছর রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার অলিতে গলিতে ঘুরেছি।’


রিজিয়া রেজা আরও বলেন, ‘আমাদেরকে সহজেই পাবেন। আমরা মঙ্গল গ্রহ থেকে উঠে আসা কোনো প্রাণী নই। এদেশেরই আলো বাতাসে বেড়ে উঠা বৈধ নাগরিক। কোনো পদ-পদবী কিংবা স্বার্থের জন্য আমাদের পরিবার রাজনীতি করছেনা। আমরা রাজনীতি করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে যে নৌকা তুলে দিয়েছেন সেই নৌকার সম্মান রক্ষার জন্য। আমাদের দিন শুরু হয় নৌকার কাজ দিয়ে, দিন শেষ হয় নৌকার কাজ দিয়ে। সুতরাং নৌকার সাথে আমরা বেঈমানি করতে পারিনা। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা দেওয়ার অর্থ হলো জাতীয় নির্বাচনের প্রাক-প্রস্তুতি নেওয়া। টাকা ও ষড়যন্ত্রের কাছে আমরাতো সেই নৌকাকে ডুবিয়ে দিতে পারি না।’


তিনি আরও লিখেন, ‘যে সব নেতারা দুই ইউনিয়নে প্রার্থী পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়াতে দলের প্যাড ব্যবহার করে নিউজ করাতে চাচ্ছে, তাদের জেনে রাখা উচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই বাস্তবতার নিরিখে এই উদারনৈতিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। নেত্রীর দুরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রতি যদি আপনারা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে চান তাহলে অতীতের মতো বেইজ্বতিই আপনাদের কপালে জুটবে। কারণ উপজেলার পদ-পদবী ব্যবহার করে অতীতের মতো বর্তমানেও টাকা দিয়ে কোথায় কোথায় নৌকা বিক্রি করেছেন সেটা সবার জানা আছে। মনে রাখবেন, আমাদের পরিবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনো অর্থ কিংবা স্বার্থের জন্য আওয়ামী লীগ করছেনা। হৃদয়ের গহীন থেকে আওয়ামী লীগ করছে।’

 

রিটেলেড নিউজ

আস্থা ভালবাসা নিয়ে চরতীবাসীর অভিভাবক হতে চান রুহুল্লাহ চৌধুরী

আস্থা ভালবাসা নিয়ে চরতীবাসীর অভিভাবক হতে চান রুহুল্লাহ চৌধুরী

ডেস্ক রিপোর্ট : কেউ উন্নয়ন করে জনপ্রতিনিধি হয়, কেউ হয় উন্নয়নের আশ্বাস দিয়ে। কারও আশ্বাস আশ্বাসই থেকে যায়, সক্ষ...বিস্তারিত


সাতকানিয়ায় যুবকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল

সাতকানিয়ায় যুবকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতকানিয়ায় এক যুবকের মৃত্যু নিয়ে নিয়ে এলাকায় ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এবং পরিবারের এক ...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

সাতকানিয়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী কোতোয়ালিতে ধরা

সাতকানিয়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী কোতোয়ালিতে ধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুই হাজার পিচ ইয়াবাসহ হাতেনাতে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত আর...বিস্তারিত


চরতীর ৩০ বছরের জামায়াতী দূর্গ ভাঙার চ্যালেঞ্জ যে কারণে গেল রুহুল্লাহ’র হাতে 

চরতীর ৩০ বছরের জামায়াতী দূর্গ ভাঙার চ্যালেঞ্জ যে কারণে গেল রুহুল্লাহ’র হাতে 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতকানিয়া উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মাঠ গরম রেখেছে চরতী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়ন...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর